শিরোনাম :
অস্ত্র সহায়তায় ইউক্রেনকে নতুন করে ১১০ কোটি ডলার দেবে যুক্তরাষ্ট্র দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে নিম্ন ও মধ্যবিত্তরা বিলুপ্তির পথে : ডা. ইরান শেখ হাসিনার হাত ধরেই উন্নত দেশ গড়ব : মেয়র তাপস মুষ্টিমেয় রাজনৈতিক লোক সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করতে চায় : আমু ২৪ ঘণ্টায় ৫০৬ ডেঙ্গুরোগী হাসপাতালে ভর্তি নার্স-সিন্ডিকেট চক্র পাচার করছে লাখ লাখ টাকার ওষুধ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থায় ফিরে যাওয়ার সুযোগ নেই: আইনমন্ত্রী আন্দোলনের ঘোষণায় ১৩ বছর, মানুষ বাঁচে কয় বছর: বিএনপিকে কাদের ৫ বছর রোহিঙ্গাদের লালন না করতে হলে দেশ আরও উন্নত হতো ইরানে বিক্ষোভ: হিজাব বিতর্কের আড়ালে কী? আজ কোনো অভিযোগ নাই, অনুযোগ নাই : বিদায় আইজিপি বিজিবিকে অত্যাধুনিক বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে পিরোজপুরে জাপা নেতাকে কুপিয়ে পা বিচ্ছিন্ন বিএনপির দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে হবে: শামীম সু চি’র আরও তিন বছরের কারাদণ্ড

রাতে অ্যাজমা বাড়ার কারণ কি?

  • শুক্রবার, ১৭ ডিসেম্বর, ২০২১

অ্যাজমা রোগীরা যে উপসর্গের কারণে শ্বাসকষ্টে ভোগেন তাকে বলা হয় ব্রঙ্কোকনস্ট্রিকশন। এর ফলে মূলত যে কোমল মাংসপেশীর ভেতর দিয়ে ফুসফুসে বাতাস চলাচল করে সেই পথটির সংকোচন ঘটে। আর এই পথটিকে প্রসারিত করতেই অ্যাজমা রোগীরা ইনহেলার ব্যবহার করেন।

রাতের বেলায় অ্যাজমা রোগীদের শ্বাসকষ্ট কেন বেড়ে যায় অনেকদিন ধরেই তা জানার চেষ্টা করছিলেন বিজ্ঞানীরা। দেখা গেছে, অ্যাজমায় আক্রান্তদের বেশিরভাগের মৃত্যু ঘটে রাতে।

এ সংক্রান্ত বিভিন্ন গবেষণায় শ্বাসকষ্ট বাড়ার কারণ খোঁজা হয়েছে। এতদিন বলা হচ্ছিল- রাতে শ্বাসকষ্ট বাড়ে এলার্জির কারণে কিংবা বাতাস চলাচলের পথ শীতল হয়ে যাওয়ার কারণে। ঘুমানোর সময় শোয়ার পজিশন ছাড়াও কিছু হরমোন নিঃসরণকেও দায়ী করা হচ্ছিল। তবে সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ এতদিন পাওয়া যায়নি।

এবার সেই কারণটিই খুঁজে পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। তারা দাবি করেছেন, ‘মেলাটোনিন’ এর জন্যই রাতে হাঁপানিতে আক্রান্ত রোগীদের শ্বাসকষ্ট বাড়ে।

মেলাটোনিন হলো এক ধরনের হরমোন; যা ঘুমের সংকেত বহন করে। এই মেলাটোনিন নিঃসরণের মাধ্যমেই মানুষসহ অন্যান্য প্রাণীর ঘুমানো ও জেগে ওঠার চক্র নিয়ন্ত্রিত হয়। রাতের অন্ধকার এই হরমোন নিঃসরণে উদ্বুদ্ধ করে।

তবে এই মেলাটোনিন ফুসফুসে বাতাস চলাচলের পথটিকে আরও সংকুচিত করে তোলে।

কেন্টারো মিজুতার নেতৃত্বে গবেষণাটি পরিচালনা করেছেন জাপানের তহুকো বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক। তারা জানিয়েছেন, অনেক সময় অনিদ্রায় রোগে ভোগা মানুষও এই হরমোন সমৃদ্ধ ওষুধ সেবন করেন। হরমোনটি দুই ভাবেই ব্রঙ্কোনস্ট্রিকশন তথা ফুসফুসে বাতাস চলাচলের পথকে সংকুচিত করে তোলে।

গবেষণাটি আমেরিকান জার্নাল অফ ফিজিওলজি লাং সেলুলার অ্যান্ড মলিকিউলার ফিজিওলজিতে প্রকাশিত হয়েছে। যেখানে বলা হয়েছে, এমটিটু রিসেপ্টর প্রোটিন সক্রিয় করার মাধ্যমে শ্বাস-প্রশ্বাসের আরামদায়ক ব্যবস্থাকে দুর্বল করে দেয় মেলাটোনিন।

ফার্মালজিক্যাল থেরাপির মাধ্যমে এমটিটু রিসেপ্টর প্রোটিনকে বাধা দিয়ে অ্যাজমা রোগীর শ্বাসকষ্ট কমানো সম্ভব হবে বলেও আশা করছেন গবেষকেরা।

সংবাটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খরব
© Copyright © 2017 - 2021 Times of Bangla, All Rights Reserved