শিরোনাম :
‘শেখ হাসিনা জনকল্যাণমুখী নেতা, পদ্মাসেতু তার জ্বলন্ত দৃষ্টান্ত’ বিএনপির টার্গেট ঢাকা ঝগড়া থামাতে এসে প্রাণ গেলো যুবকের ইউক্রেনের লুহানস্কে রাশিয়ার হামলা, নিহত ১৩ চৌগাছা সীমান্তে সাড়ে ১৪ কেজি সোনা জব্দ রাজধানীর যেসব এলাকায় শনিবার গ্যাস থাকবে না দেশে আরও ৫০ জনের করোনা শনাক্ত বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নিলে লাগাতার হরতাল : ডাঃ ইরান সিরাজগঞ্জে ট্রেনে কাটা পড়ে শিশুসহ নিহত ২ ডেল্টা লাইফের শেয়ার কারসাজিতে হিরো ও তার পরিবার! বিএনপিসহ রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ শিগগির: সিইসি ‘তুই শিবির করিস’ বলে কলেজশিক্ষককে চড়-থাপ্পড় মারেন এমপি কাদেরের কোনো কথাই আমরা গুরুত্ব দেই না: ফখরুল রাজধানীতে মাদকবিরোধী অভিযান, গ্রেপ্তার ৯২ দেশের ক্ষতি করে খাদ্যপণ্য রপ্তানি করবে না রাশিয়া

মুরাদের মতো আওয়ামী লীগের সবার বিদায় হবে: টুকু

  • মঙ্গলবার, ২৮ ডিসেম্বর, ২০২১

লালমনিরহাট: বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় তৎকালীন আওয়ামী লীগের এমপি-মন্ত্রীরা ভারত পালিয়ে গিয়েছিল। দেশ স্বাধীন হয়েছে জিয়াউর রহমানের হাত ধরে। সেইদিন বেশি দূরে নয়, আমরা তারেক রহমানের হাত ধরে বেগম জিয়াকে মুক্তি করে নতুন বাংলাদেশ তৈরি করবো। শুধু মুরাদ হাসান নয়। মুরাদ হাসানের মতো আওয়ামী লীগের প্রতিটি নেতার বিদায় হবে।

মঙ্গলবার বিকালে লালমনিরহাট প্রেসক্লাবের সামনে বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও সুচিকিৎসার দাবিতে জেলা বিএনপির সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

সমাবেশে টুকু বলেন, ৭ মার্চে শেখ মুজিবুর রহমানের ভাষণ স্বাধীনতার ভাষণ ছিলো না। এটি ছিলো পাকিস্তানের সাথে সমঝোতার ভাষণ। ২৭ মার্চ শহীদ জিয়াউর রহমানের ঘোষণার মধ্য দিয়ে এ দেশে যুদ্ধ শুরু হয়েছে। এটা আওয়ামী লীগ স্বীকার করে না। কারণ এটা স্বীকার করলে শেখ মুজিবর রহমানের গ্রহনযোগ্যতা কমে যায়।

তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান যখন যুদ্ধের মাঠে, তখন বেগম খালেদা জিয়াকে পাকিস্তানিরা গ্রেপ্তার করে। মহান মুক্তিযুদ্ধে বেগম খালেদা জিয়ারও ভূমিকা রয়েছে। তিনি মুক্তিযোদ্ধাদের সংসগঠিত করেছেন। বেগম জিয়া একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। এটা বলতে আওয়ামী লীগের লজ্জ্বা হয়।

বিএনপির রংপুর বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলুর সভাপতিত্বে এ সমাবেশ শুরু হয়।

এদিকে সমাবেশে বিএনপির নেতাকর্মীরা অভিযোগ করেন, সমাবেশের জেলা শহরের বিভিন্ন পথে পুলিশ তল্লাশি শুরু করেন। বিএনপির নেতাকর্মীরা সমাবেশ যোগ দিতে গেলে পুলিশের পক্ষ থেকে পথে পথে নানাভাবে হয়রানি করা হয়। পুলিশের বাধা উপেক্ষা বিএনপির নেতাকর্মী পায়ে হেটে সমাবেশে যোগ দেন। এ সময় শহরের মিশন মোড় এলাকায় ছাত্রদলের মিছিলে লাঠিচার্জ করে।

সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা মনিরুল হক চৌধুরী, বিএনপির রংপুর বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল খালেক, কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য ব্যারিস্টার হাসান রাজীব প্রধান, জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি রোকন উদ্দিন বাবুল, সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমান বাবলা, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মমিনুল হক ও হাতীবান্ধা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোশারফ হোসেন প্রমুখ।

সংবাটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খরব
© Copyright © 2017 - 2021 Times of Bangla, All Rights Reserved