শিরোনাম :
প্যাকেটজাত খাবারে মাত্রাতিরিক্ত লবণ, ঝুঁকিতে ৯৭ ভাগ মানুষ রোহিঙ্গাদের যেতেই হবে: প্রধানমন্ত্রী গণতান্ত্রিক সমাজ নির্মাণের ভিত মজবুত করবে তথ্য অধিকার: তথ্যমন্ত্রী নানা কর্মসূচিতে শেখ হাসিনার ৭৬তম জন্মদিন উদযাপিত বিদ্রোহীদের হাতে মিয়ানমার জান্তা বাহিনীর ১৫ সেনা নিহত জাস্ট ওয়েট, চমক থাকবে :ইসি চীনে রেস্তোরাঁয় অগ্নিকাণ্ডে ১৪ জনের মৃত্যু লাঠি নিয়ে রাস্তায় নামলে সমুচিত জবাব : কাদের ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি’র ১৬তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত ২৪ ঘন্টায় রেকর্ড ৫২৪ ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে আগামী ৩ দিনে বাড়তে পারে বৃষ্টির প্রবণতা মির্জা ফখরুল সন্ত্রাসীদের নেতা হতে চান কিনা, প্রশ্ন নাছিমের ঘাতকরা শেখ হাসিনাকে বহুবার হত্যার সুযোগ খুঁজেছে: নৌ প্রতিমন্ত্রী বাবুল-ইলিয়াসের বিরুদ্ধে পিবিআইয়ের মামলা : প্রতিবেদন ৬ নভেম্বর ইডেন ছাত্রলীগ সভাপতি-সম্পাদকের বিরুদ্ধে মামলা

‘পরমাণু ইস্যুতে ইরানের বিরোধিতা করবে না ইসরায়েল’

  • বৃহস্পতিবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০২১

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : পরমাণু ইস্যুতে ইরানের সঙ্গে আন্তর্জাতিক শক্তির চুক্তির বিষয়ে ইসরায়েল স্বপ্রণোদিত হয়ে বিরোধিতা করবে না বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেট।

মঙ্গলবার (২৮ ডিসেম্বর) ইসরাইলের সেনা বেতারকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ কথা জানিয়েছেন তিনি। তবে চুক্তিটি ‘ভালো’ হওয়া এবং বিশ্বশক্তিগুলোকে আরও শক্ত অবস্থান নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী।

বেনেট বলেন, ইসরায়েল অধিকতর ফলদায়ক পদ্ধতি পছন্দ করে। একটি ভালো চুক্তি অবশ্যই হতে পারে। চুক্তির পরিধি আমাদের জানা আছে। এখনকার যে প্রেক্ষাপট, তাতে এ মুহূর্তে কি ভালো চুক্তি হওয়ার আশা করা যায়? না। কারণ, এখানে আরও শক্ত পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।

তিনি বলেন, ইরানের অবস্থান খুবই দুর্বল। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত বিশ্ব এমন আচরণ করছে, যেন ইরান একটা শক্ত অবস্থানে আছে।

ইরানের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের সামরিক হামলার সক্ষমতার ব্যাপারে জানতে চাইলে, তা এড়িয়ে গিয়ে বেনেট বলেন, তিনি ‘কথা কম কাজ বেশি’ পদ্ধতি অনুসরণ করেন।

ইরানের সঙ্গে ২০১৫ সালে করা পারমাণবিক চুক্তি বাঁচানো নিয়ে ভিয়েনায় তেহরান এবং পাঁচ বিশ্বশক্তির আলোচনা নতুন করে শুরু হওয়ার পরদিন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী একথা বললেন। তবে এই আলোচনা থেকে আরও ফলদায়ক কিছু হবে কিনা তা নিয়েও সংশয় প্রকাশ করেছেন তিনি।

ইরানের সঙ্গে বিশ্বশক্তিগুলোর ২০১৫ সালে স্বাক্ষরিত পারমাণবিক চুক্তির আওতায় তেহরানকে তাদের পারমাণবিক কার্যক্রম কমানোর বিনিময়ে নিষেধাজ্ঞা থেকে রেহাই পাওয়ার নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছিল।

২০১৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ওই পারমাণবিক চুক্তি থেকে সরে আসেন। নতুন করে ইরানের ওপর সব নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন তিনি। ফলে তেহরানও চুক্তি থেকে সরে এসে পারমাণবিক সক্ষমতা বাড়াতে থাকে।

২০১৫ সালের পারমাণবিক চুক্তি বাঁচাতে গত সোমবার ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র ভিয়েনায় পরোক্ষ আলোচনা পুনরায় শুরু করেছ। এতে ইরান মূলত একদিকে দৃষ্টি রাখছে, তা হল সব ধরনের নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া।

ইসরায়েল এই পারমাণবিক চুক্তি নিয়ে আলোচনার অংশীদার নয়। তবে তারা ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির রশি টেনে ধরতে দেশটির ওপর আরও চাপ বাড়ানোর জন্য চুক্তির অংশীদার দেশগুলোকে প্রভাবিত করার চেষ্টা চালাচ্ছে।

পরমাণু নিয়ে ইরানের সঙ্গে ইসরায়েলের চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। ইসরায়েল সতর্ক করে বলেছে, ইরানের পরমাণু অস্ত্র প্রাপ্তি কূটনৈতিক প্রক্রিয়ায় ঠেকাতে ব্যর্থ হলে তারা শক্তি প্রয়োগ করবে। তবে তেহরান বলছে, তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ কাজে ব্যবহারের জন্য।

 

সংবাটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খরব
© Copyright © 2017 - 2021 Times of Bangla, All Rights Reserved