শিরোনাম :
বাংলাদেশি ভিসায় যেসব বিধি-নিষেধ আরোপের কথা ভাবছে ইইউ অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের সব প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী র‌্যাবের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা রাজনৈতিক বিষয় : পররাষ্ট্রমন্ত্রী আত্মীয়-স্বজনদের নিয়ে কমিটি করা চলবে না: কাদের বেশিরভাগ কোম্পানির দর অপরিবর্তিত, কমেছে লেনদেন সুষ্ঠু নির্বাচন করতে ডি‌সিদের তৈ‌রি থাকার নির্দেশ দেশে ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি আরও ৮ ডেঙ্গু রোগী ১৩ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করল ইসরায়েল দেশে আরও ১৬ জনের করোনা শনাক্ত, মৃত্যু নেই প্রয়োজনে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন পরিবর্তন করা হবে : আইনমন্ত্রী ফের বাড়ল চিনির দাম রাজধানীতে মাদকবিরোধী অভিযানে আটক ৯৩ সব শিল্পাঞ্চল ফাইভ জি কানেক্টিভিটির আওতায় আসবে : প্রধানমন্ত্রী সাম্প্রদায়িক শক্তি যেনো মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে না পারে: প্রধান বিচারপতি মিশিগানে তীব্র তুষারপাত, বিপর্যস্ত জনজীবন

দ্বিতীয় দিনেও চলছে লঞ্চ ধর্মঘট

  • সোমবার, ২৮ নভেম্বর, ২০২২

ঢাকা : ১০ দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে লঞ্চ শ্রমিক সংগ্রাম পরিষদের ডাকা ধর্মঘট দ্বিতীয় দিনের মত চলছে। এতে বন্ধ রয়েছে অভ্যন্তরীণ ও দূরপাল্লার রুটের লঞ্চ চলাচল।

ধর্মঘটে সারাদেশের সঙ্গে বিচ্ছিন্ন হয়ে আছে দ্বীপজেলা ভোলা। এতে অনেকটাই বিপর্যস্ত জনজীবন। ঘাটগুলো যেন সুনসান নিরবতা। নেই হকারদের হাক-ডাক, নেই কোলাহল। ঘাটেই নোঙর করা কয়েকটি লঞ্চ। শ্রমিকদের অলস সময় কাটাতে দেখা গেছে। কোন কোন যাত্রী ঘাটে এসে নৌযান না পেয়ে ফিরে গেছেন। কেউ আবার বিকল্প ব্যবস্থা গন্তব্যে যাওয়ার চেষ্টা করছেন।

সোমবার (২৮ অক্টেবর) সকাল থেকে ভোলার ইলিশা, ভেদুরিয়া থেকে অভ্যন্তরীণ এবং দূরপাল্লার রুটের কোন লঞ্চ ছেড়ে যায়নি। ভোলা-লক্ষীপুর রুট থেকেও ছেড়ে যায়নি কোন লঞ্চ।

এসব ঘাটে অনেক যাত্রী আসলেও তারা গন্তব্যে যেতে না পেরে ভোগান্তিতে পড়েছেন। তারা ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও শেষ পর্যন্ত ফিরে গেছেন। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েন নারী ও শিশুরা।

যাত্রী নার্গিস আক্তার বলেন, ভোলায় এসেছিলাম বেড়াতে, এখন বরিশাল যাব। কিন্তু কোন লঞ্চ পাচ্ছি না। ছোট ট্রলারে কিভাবে যাবে। এটা তো অনেক ঝুঁকির ব্যাপার।

আরেক যাত্রী আকতার হোসেন ও নিরব বলেন, আমরা জানতাম না যে লঞ্চ ধর্মঘট চলছে। ঘাটে এসে দেখি এমন অবস্থা। এখন চরম দুর্ভোগে পড়েছি।

নাসরিন আক্তার নামের অপর এক যাত্রী বলেন, শ্রমিকদের দাবির কাছে আমাদের কেন দুর্ভোগ পোহাতে হবে, লঞ্চ বন্ধ রেখে এভাবে যাত্রীদের বিপদে ফেলা দেওয়ার কোন মানে হয় না।

এদিকে ভেদুরিয়া ঘাটে দেখা গেছে কিছুটা ভিন্ন চিত্র। ইঞ্জিনচালিত ছোট ছোট ট্রলার ও স্পিড বোর্ট চলাচল করতে দেখা গেছে। তবে এসব নৌযানে ভাড়া নিচ্ছে অনেক বেশি।

নৌযান শ্রমিক ফেডারেশন বরিশাল বিভাগীয় সাধারণ সম্পাদক শেখ আবুল হোসেন বলেন, ১০ দফা দাবি আদায়ের লক্ষে এ ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়েছে। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত এ ধর্মঘট চলবে। লঞ্চ মালিক পক্ষ আমাদের এখনও ডাকেননি। তারা দাবি না মানলে আমাদের কর্মবিরতি চলমান থাকবে।

এদিকে লঞ্চ ধর্মঘটের কারণে বরিশালের ৬ জেলার ৫০ হাজার শ্রমিক বেকার হয়েছে পড়েছে। তারাও পরিবার-পরিজন নিয়ে কষ্টে আছেন।

শ্রমিকদের ১০ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে – ন্যূনতম বেতন ২০ হাজার টাকা, শ্রমিকদের নিয়োগপত্র ও পরিচয়পত্র প্রদান, শ্রমিকদের নিরাপত্তা, নৌ দুর্ঘটনায় নিহত শ্রমিকদের পরিবারকে ১০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ, চাঁদাবাজি বন্ধ, রাতে নৌযান চলাচল শিথিল করা, ভারতগামী জাহাজ ল্যান্ডিং করার পাস এবং কল্যাণ তহবিল গঠন।

সংবাটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খরব
© Copyright © 2017 - 2021 Times of Bangla, All Rights Reserved