শিরোনাম :
শীতকালে ১৬ গুণ বেশি দূষিত ঢাকার বায়ু, শীর্ষে শাহবাগ ফতুল্লায় বীর মুক্তিযোদ্ধাকে হত্যা, টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার লুট রাজধানীতে পুলিশের অভিযানে মাদকসহ আটক ৫০ ট্যাঙ্কের পর কি যুদ্ধবিমান পাবে ইউক্রেন? পাকিস্তানে মসজিদে বোমা হামলায় নিহত বেড়ে ১০০ বিশ্বজুড়ে করোনায় সংক্রমণ ও মৃত্যু বেড়েছে আবারও বড় মেয়েকে নিয়ে পালানোর চেষ্টা জাপানি মায়ের ভারতে বহুতল ভবনে আগুন, নিহত ১৪ নানা অপরাধে চাকরিচ্যুতিসহ শাস্তি পেলেন ইসির ৬৯ জন ভুল তথ্যে র‌্যাবের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল আমেরিকা : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আবারও বাংলাদেশের কোচ হাতুরুসিংহে বিএনপির দম ফুরিয়ে গেছে বলে নীরব পদযাত্রা করছে: কাদের সাহস থাকলে দেশে মামলা ফেস করুন, তারেককে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সরকারের হাতে টাকা নেই তাই বিদ্যুতের দাম বাড়াচ্ছে: মোশাররফ ফিলিস্তিনিদের পাশে দাঁড়াতে মুসলিম উম্মাহর প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

দেশে কুষ্ঠ রোগী কমলেও এখনো ঝুঁকিতে নয় জেলা

  • শুক্রবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২২

ঢাকা : আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশে কুষ্ঠ নির্মুলের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে দেশে কুষ্ঠ রোগী কমলেও এখনো এ রোগের ঝুঁকিতে রয়েছে নয় জেলা।

এসব জেলায় দেশের অন্যান্য জেলার তুলনায় সর্বোচ্চ কুষ্ঠ রোগী শনাক্ত হচ্ছে। ঝুঁকিপূর্ণ জেলাগুলোর মধ্যে রংপুর বিভাগের ছয়টি জেলা রয়েছে। জেলাগুলো হলো— রংপুর, নীলফামারী, লালমনিরহাট, গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম ও পঞ্চগড়।

এ ছাড়া মেহেরপুর, মৌলভীবাজার ও জয়পুরহাটেও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক কুষ্ঠ রোগী শনাক্ত হচ্ছে। বৃহস্পতিবার রাজধানীর অফিসার্স ক্লাব মিলনায়তনে বাংলাদেশ সফররত জাপানের সাসাকাওয়া হেলথ ফাউন্ডেশনের (এসএইচএফ) একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে দেশের ‘পিপুল’স ফেডারেশন অব লেপ্রসি’-এর সদস্যদের মধ্যে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময়সভায় এই তথ্য উঠে এসেছে।

অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ডা. সাকিল আহম্মদ মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনা করেন। এতে বলা হয়, দেশে ২০২১ সালে মোট কুষ্ঠরোগী ছিলেন ২ হাজার ৮৭২ জন। তাদের মধ্যে রোগটির কারণে শারীরিক প্রতিবন্ধী হয়েছেন ১৬৫ জন। ২০২০ সালে দুই হাজার ৭২৪ রোগীর মধ্যে প্রতিবন্ধী হয়েছেন ১৩৭ জন। ২০১৯ সালে মোট কুষ্ঠরোগী ছিলেন ৩ হাজার ৬৩৮ জন এবং প্রতিবন্ধী হয়েছেন ২৫২ রোগী। ২০১৮ সালে মোট রোগী ছিলেন ৩ হাজার ৭২৬ জন। তাদের মধ্যে প্রতিবন্ধী হয়েছেন ২৯৭ জন। ২০১৭ সালে ২ হাজার ৭৫৭ রোগীর মধ্যে ২৯৬ জন, ২০১৬ সালে ৩ হাজার ১ রোগীর মধ্যে ১৯২ জন এবং ১৯৯৮ সালে ১১ হাজার ৯১ রোগীর মধ্যে ১ হাজার ২৫২ জন প্রতিবন্ধি হয়েছেন।

মুল প্রবন্ধ উপস্থাপনের সময় অধ্যাপক ডা. সাকিল আহমেদ বলেন, কুষ্ঠরোগ প্রতিরোধে কোনো টিকা নেই। আক্রান্ত রোগীকে খাবার ওষুধ খাওয়ানোর হয়। আগে এই ওষুধ দীর্ঘদিন খেতে হতো। এখন ছয় মাস খেলেই কুষ্ঠরোগী ভালো হয়ে যাচ্ছে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব ড. মো. আনোয়ার হোসাইন হাওলাদার বলেন, বাংলাদেশকে ২০৩০ সালের মধ্যে কুষ্ঠ মুক্ত করতে সার্বিকভাবে সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হবে। এ লক্ষ্যে আগামী অপারেশনাল প্ল্যানে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ রাখার ব্যবস্থা করা হবে।

সংবাটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খরব
© Copyright © 2017 - 2021 Times of Bangla, All Rights Reserved