শিরোনাম :
খোলাবাজারে ডলারের দাম ১০২ টাকার বেশি লেবার পার্টির জামালপুর জেলা কমিটি ঘোষণা দেশে এক দিনে হাসপাতালে ভর্তি ১২ ডেঙ্গু রোগী দাম বাড়লো স্বর্ণের ঠাকুরগাঁওয়ে ৩টি এলএমজি, ২৪টি বন্দুকসহ অসখ্য গুলি উদ্ধার ১৭ মে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও গণতন্ত্রের অগ্নিবীণার প্রত্যাবর্তন দিবস : তথ্যমন্ত্রী পদ্মা সেতুতে চলাচলের ক্ষেত্রে টোল হার নির্ধারণ আরও ১০ দিনের রিমান্ডে পি কে হালদার সূচক পতনে কমেছে লেনদেনও গমের দাম এক দিনেই বাড়ল চার টাকা ‘অপোতে হয়রানি ও যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছি’ মজুতদারের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড, যুক্ত হচ্ছে ভোক্তা আইনেও কৃষকের ভাগ্য উন্নয়নে আ.লীগ কোনো উদ্যোগ ও তৎপরতা নেই: ফখরুল ২ লাখ ৪৬ হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন বাজেট অনুমোদন কোন কোন দেশে টাকা রেখেছেন পি কে হালদার, জানতে চান হাইকোর্ট

গৃহবধূ ধর্ষণের ঘটনায় হোটেল ম্যানেজার রিমান্ডে

  • শনিবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০২১

বরগুনা : বৃহস্পতিবার গভীর রাতে সুগন্ধা নদীতে অভিযান- ১০ লঞ্চে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের সময় নদীতে ঝাপদিয়ে বেঁচে গেলেন বরগুনার পাথরঘাটার সাংবাদিক বিনয় ভূষন কর্মকার খোকন এর পরিবারের ৩ সদস্য। তারা হলেন, খোকন কর্মকারের স্ত্রী মাধবী কর্মকার, মেয়ে দেবস্মিতা ও পুত্র শুভ কর্মকার। তারা অগ্নিকান্ডের সময় দ্বিতীয় তলার ২০৮ নং কেবিনে অবস্থান করছিল।

ফিরে আসা সদস্যরা জানান, রাত ৩ টার পূর্বেই বরগুনার উদ্দেশ্যে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা অভিযান-১০ লঞ্চটিতে আগুন লাগে। লঞ্চযাত্রীদের চিৎকারে হঠাৎ দেবস্মিতার ঘুম ভেঙ্গে যায়। মেয়ে শব্দশুনে প্রথমে তার মাকে ঘুম থেকে ডেকে তোলে। পরে মায়ের কথা অনুযাই দেবস্মিতার ভাই শুভ কর্মকারকে ঘুম থেকে জাগায়।

শুভ কেবিনের দরজা খুলে ইঞ্জিন রুম বরাবর নীচ তলা থেকে দোতলায় ধোয়া ও আগুনের কুন্ডলী দ্বিতীয় তলায় উঠতে দেখতে পায়। রুম থেকে বের হয়ে দৌড়ে নীচ তলায় গিয়ে ইঞ্জিন রুমের ভিতর আগুন জ্বলতে দেখে রুমে ফিরে এসে তার মাকে জানায় মা তারাতারি ব্যাগ নিয়ে বের হও নদীতে ঝাঁপ দিতে হবে না হলে বাঁচা যাবেনা। শুভর মা মাধবী শুভকে বলেন নদীতে ঝাপ দিলেওতো বাঁচবনা। ছেলে মাকে বলে মা আগুনে পুরে মরার চেয়ে নদীতে ঝাঁপ দেয়া ভাল।

তখন কেবিন থেকে ব্যাগ নিয়ে তিনজন বের হয়ে লঞ্চের ডেকের সামনে যাত্রী ওঠা নামার স্থানে চলে আসে, প্রথমে শুভ তার বোন সাতার না জানা দেবস্মিতাকে নিয়ে ও ব্যাগ নিয়ে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে বহুকষ্টে সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষয় হয়। তীরে উঠে মাকে নদীতে ঝাঁপ দিতে বার বার তাগিদ দেয়।

তীর থেকে বহুদুরে লঞ্চ বিকল হয়ে অবস্থান করায় প্রথমে সাহস হয়নি শুভর মায়ের। পরে লঞ্চ তীরের কাছাকাছি পৌঁছলে ওই লঞ্চ থেকে নদীতে ঝাপ দেয় এবং সাতার কাটা যাত্রীদের সহযোগীতায় তীরে পৌছায় এবং প্রানে রক্ষা পায়।

প্রানে বেঁচে যাওয়া অন্যান্য সদস্যরা জানান, তীরে ফেরা যাত্রীদের অনেকের স্বজন খুঁজে না পাবার আর্তনাদে স্থানীয় গ্রামবাসীরা আমাদের কাছে ফিরে এসে হারিকেন, টর্চলাইট ও মোবাইল টর্চ দিয়ে রাতের আধারে আলো দেয় যাতে যাত্রীদের একটু সুবিধা হয় । তারা জানান স্থানিয়দের আন্তরিকতার কোন কমতি ছিলনা।

সংবাটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খরব
© Copyright © 2017 - 2021 Times of Bangla, All Rights Reserved