শিরোনাম :
শীতকালে ১৬ গুণ বেশি দূষিত ঢাকার বায়ু, শীর্ষে শাহবাগ ফতুল্লায় বীর মুক্তিযোদ্ধাকে হত্যা, টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার লুট রাজধানীতে পুলিশের অভিযানে মাদকসহ আটক ৫০ ট্যাঙ্কের পর কি যুদ্ধবিমান পাবে ইউক্রেন? পাকিস্তানে মসজিদে বোমা হামলায় নিহত বেড়ে ১০০ বিশ্বজুড়ে করোনায় সংক্রমণ ও মৃত্যু বেড়েছে আবারও বড় মেয়েকে নিয়ে পালানোর চেষ্টা জাপানি মায়ের ভারতে বহুতল ভবনে আগুন, নিহত ১৪ নানা অপরাধে চাকরিচ্যুতিসহ শাস্তি পেলেন ইসির ৬৯ জন ভুল তথ্যে র‌্যাবের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল আমেরিকা : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আবারও বাংলাদেশের কোচ হাতুরুসিংহে বিএনপির দম ফুরিয়ে গেছে বলে নীরব পদযাত্রা করছে: কাদের সাহস থাকলে দেশে মামলা ফেস করুন, তারেককে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সরকারের হাতে টাকা নেই তাই বিদ্যুতের দাম বাড়াচ্ছে: মোশাররফ ফিলিস্তিনিদের পাশে দাঁড়াতে মুসলিম উম্মাহর প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

খুলনায় নিখোঁজ মরিয়মের মাকে ফরিদপুর থেকে উদ্ধার

  • রবিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২২

খুলনা: খুলনার মহেশ্বরপাশায় নিখোঁজ রহিমা বেগমকে অক্ষত অবস্থায় ফরিদপুর থেকে উদ্ধার করেছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। মায়ের নিখোঁজের তথ্য জানিয়ে প্রায় এক মাস ধরে তার সন্ধান করছিলেন তার মেয়ে মরিয়ম মান্নান। মরিয়মের কান্নার ছবি ছুঁয়ে যায় সবাইকে।

উদ্ধারের বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন মামলার প্রথম তদন্ত কর্মকর্তা খুলনার দৌলতপুর থানার এসআই লুৎফুল হায়দার।

ফরিদপুরের বোয়ালমারী থানার আব্দুল হক জানান, রাত সাড়ে ১০টার দিকে বোয়ালমারী উপজেলার সৈয়দপুর গ্রাম থেকে রহিমা বেগমকে উদ্ধার করা হয়। তাকে খুলনায় পাঠানো হচ্ছে।

খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. মাসুদুর রহমান ভূঁইয়া জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দৌলতপুর জোনের এডিসির নেতৃত্বে দৌলতপুর থানা পুলিশ রহিমা বেগমকে জীবিত উদ্ধার করে। তাকে নিয়ে পুলিশের টিমটি খুলনায় রওয়ানা দিয়েছে। খুলনায় আনার পর তাকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যাবে তিনি আসলে অপহৃত হয়েছিলেন নাকি স্বেচ্ছায় আত্মগোপনে ছিলেন।

দৌলতপুর থানা পুলিশের একজন কর্মকর্তা জানান, জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে রহিমা ও তার মেয়েরা অপহরণের নাটক সাজিয়েছিলেন। তিনি মূলত স্বেচ্ছায় আত্মগোপনে ছিলেন।

এর আগে গত শুক্রবার ময়মনসিংহে ১২ দিন আগে উদ্ধার করা একটি মরদেহকে নিজের মায়ের বলে দাবি করেছিলেন মরিয়ম মান্নানসহ রহিমা বেগমের তিন মেয়ে।

খুলনার দৌলতপুর মহেশ্বরপাশার বণিকপাড়া থেকে গত ২৭ আগস্ট রাত সাড়ে ১০টার দিকে নিখোঁজ হন রহিমা। সেসময় রহিমার দ্বিতীয় স্বামী বিল্লাল হাওলাদার ওই বাড়িতে ছিলেন। পানি আনতে বাসা থেকে নিচে নেমেছিলেন রহিমা। দীর্ঘ সময় পরও তার খোঁজ না পাওয়ায় ঘটনার দিন রাত সোয়া ২টায় দৌলতপুর থানায় অপহরণ মামলা করেন তার মেয়ে আদুরী।

সংবাটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খরব
© Copyright © 2017 - 2021 Times of Bangla, All Rights Reserved