শিরোনাম :
ছিনতাই চক্রের ১৬ সদস্য গ্রেপ্তার, বিপুল মোবাইল-ল্যাপটপ উদ্ধার ফের বিদ্যুৎ উৎপাদনে যাচ্ছে রামপাল চিলিতে দাবানলে পুড়ল ১৪ হাজার হেক্টর বনভূমি, অন্তত ১৩ জনের মৃত্যু এক সপ্তাহের মধ্যে ঢাকায় আসবেন দুই মার্কিন প্রতিনিধি জ্বালানির দাম আরও বৃদ্ধি চায় আইএমএফ খেলাপি ঋণ: সরকারিতে ১০, বেসরকারি ব্যাংকে ৫ শতাংশে নামানোর প্রতিশ্রুতি ইউক্রেনকে দূরপাল্লার বোমা ‘জিএলএসডিবি’ দেবে যুক্তরাষ্ট্র টেকনাফে বিজিবির অভিযানে ২ লক্ষাধিক ইয়াবা জব্দ মার্কিন আকাশে চীনা নজরদারির বেলুন ‘অগ্রহণযোগ্য’ ৪০টি দেশ বয়কট করতে পারে অলিম্পিক আজ ৯ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না যেসব এলাকায় ‘পথ ভুলে’ যুক্তরাষ্ট্রে গেছে সেই ‘গোয়েন্দা’ বেলুন, দাবি চীনের তালিবানি শিক্ষানীতির প্রতিবাদ জানানো সেই শিক্ষককে প্রকাশ্যে মারধর বিশ্বজুড়ে আক্রান্ত প্রায় ২ লাখ, মৃত্যু ১ হাজার ৩শ’র ওপর ভাষার জন্য প্রাণ দেওয়া বিশ্বে অনন্য উদাহরণ : সেনাপ্রধান

ওয়েটার থেকে শতকোটি টাকার মালিক মুক্তার!

  • শুক্রবার, ৭ অক্টোবর, ২০২২

ঢাকা : রেস্টুরেন্টের আড়ালে অবৈধ মদের ব্যবসা করেন মো. মুক্তার হোসেনের। ওয়েটার থেকে হয়েছেন শতকোটি টাকার মালিক। রাজধানী ও আশপাশের এলাকায় গড়ে তুলেছেন ৫টি বার। তার যুক্তরাষ্ট্রে গাড়ি-বাড়ি আছে। সেখানে বসবাস করেন তার স্ত্রী ও সন্তানরা।

যদিও মূল হোতা মুক্তারকে ধরতে পারেনি গোয়েন্দা পুলিশ। তবে তার পরিচালিত উত্তরার গরীবে নেওয়াজ রোডের কিংফিশার বার থেকে আটক করা হয়েছে ৩৮ জনকে।

আজ শুক্রবার (৭ অক্টোবর) ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (গোয়েন্দা) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ। প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিতেই রেস্টুরেন্টের ভেতরেই কেনাবেচা হতো নামিদামি ব্র্যান্ডের মদ।

তিনি জানান, লাইসেন্স না নিয়ে রেস্টুরেন্টের সাইনবোর্ডের আড়ালে দেশি-বিদেশি মদের রমরমা ব্যবসা পরিচালনা করা হতো। রাজধানীর রেস্টুরেন্টে ওয়েটারের কাজ করা মুক্তার মাদকের ব্যবসা করে বনে গেছেন কোটিপতি। বৃহস্পতিবার রাতে সেই কিংফিশার বারে অভিযানে মিলেছে ৫ হাজার ৪০০ দেশি-বিদেশি মদের বোতল ও বিয়ার।

ডিবি জানায়, ছয়তলা একটি ভবনে দীর্ঘদিন ধরে বারটি চলছে। বারের কর্তৃপক্ষ কোনো নির্ভরযোগ্য অনুমোদন দেখাতে পারেনি। বারটি থেকে শতাধিক মানুষকে মদ্যপ অবস্থায় পাওয়া যায়। এ সময় বার ম্যানেজারসহ ৩৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়। তবে মুক্তার হোসেন পলাতক। তার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।

গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন: আবু সালেহ, মো. মোহন, মুকুল, মো. সিব্বির আহম্মেদ, রাসেল, আবুল কাসেম মিন্টু, নাহিদ দারিয়া, শান্ত ইসলাম, আলিম উদ্দিন, জালাল উদ্দিন, সাজ্জাদ হোসেন, রহমত আলী, খালেক সাইফুল্লাহ, ইমরান, মো. সাহান শেখ, মো. মোফাজ্জেল, ওবায়েদ মজুমদার, ইবাদত খান, রাইস উদ্দিন, রায়হান, মো. রুবলে, রিফাত, ফয়সাল, শরিফুল ইসলাম, রাসেল, জাহিদ হাসান, রওশন জামিল রাসেল, হুমায়ুন কবির, তোফাজ্জেল হোসনে, মো. রিয়াদ হোসেন, আল আমনি, কাইয়ুম, নয়ন দাস, শাওন দাস ও মাহমুদুল হাসান।

হারুন অর রশীদ জানান, ওই বারে প্রতিদিন বিভিন্ন মানুষের যাতায়াত ছিল। তাদের মধ্যে সরকারি উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তা, আইনজীবী, চিকিৎসকসহ বিভিন্ন পেশার নারী-পুরুষ রয়েছেন। শুধু মদ বিক্রি নয়, বারটিতে নারী নিয়ে অসামাজিক কার্যক্রমের অভিযোগের কথাও জানান তিনি।

ডিবি জানায়, মুক্তার হোসেনের আরও বার রয়েছে। মিরপুর, গুলশান ও নারায়ণগঞ্জসহ বিভিন্ন স্থানে পাঁচটি বার চালান তিনি।

সংবাটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খরব
© Copyright © 2017 - 2021 Times of Bangla, All Rights Reserved