শিরোনাম :
ফতুল্লায় বীর মুক্তিযোদ্ধাকে হত্যা, টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার লুট রাজধানীতে পুলিশের অভিযানে মাদকসহ আটক ৫০ ট্যাঙ্কের পর কি যুদ্ধবিমান পাবে ইউক্রেন? পাকিস্তানে মসজিদে বোমা হামলায় নিহত বেড়ে ১০০ বিশ্বজুড়ে করোনায় সংক্রমণ ও মৃত্যু বেড়েছে আবারও বড় মেয়েকে নিয়ে পালানোর চেষ্টা জাপানি মায়ের ভারতে বহুতল ভবনে আগুন, নিহত ১৪ নানা অপরাধে চাকরিচ্যুতিসহ শাস্তি পেলেন ইসির ৬৯ জন ভুল তথ্যে র‌্যাবের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল আমেরিকা : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আবারও বাংলাদেশের কোচ হাতুরুসিংহে বিএনপির দম ফুরিয়ে গেছে বলে নীরব পদযাত্রা করছে: কাদের সাহস থাকলে দেশে মামলা ফেস করুন, তারেককে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সরকারের হাতে টাকা নেই তাই বিদ্যুতের দাম বাড়াচ্ছে: মোশাররফ ফিলিস্তিনিদের পাশে দাঁড়াতে মুসলিম উম্মাহর প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ব্লক মার্কেটে ১২৫ কোটি টাকার লেনদেন

আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম আরও কমলো

  • সোমবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২২

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : বাজারে জ্বালানি তেলের দাম আরও কমেছে। ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলার পর তেলের দাম বেড়ে আকাশচুম্বী হয়। কিন্তু গত কয়েক সপ্তাহ ধরে গুরুত্বপূর্ণ এ পণ্যটির দাম নিম্নমুখী। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করতে বিভিন্ন দেশ সুদের হার বাড়িয়েছে। এতে বৈশ্বিক মন্দার ঝুঁকি তীব্র হওয়ায় তেলের চাহিদা কমেছে। তাছাড়া ডলারের দাম বাড়ায় অনেক দেশের ক্রয় ক্ষমতাও কমেছে। এর জেরেই মূলত তেলের দাম কমছে।

সোমবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার দিকে দেখা গেছে, ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ৫৪ সেন্ট বা শূন্য দশমিক ৬৩ শতাংশ কমে ৮৫ দশমিক ৬১ ডলারে দাঁড়িয়েছে। তাছাড়া ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের মূল্য ব্যারেলপ্রতি ৪৮ সেন্ট বা শূন্য দশমিক ৬১ শতাংশ কমে ৭৮ দশমিক ২৬ ডলার হয়েছে।

এর আগে শুক্রবার (২৩ সেপ্টেম্বর) তেলের দাম একদিনে প্রায় পাঁচ শতাংশ কমে আট মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে পৌঁছায়। এসময় আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের বেঞ্চমার্ক ব্রেন্টের দাম ৪ দশমিক ৮ শতাংশ বা ব্যারেলপ্রতি ৪ দশমিক ৩১ ডলার কমে ৮৬ দশমিক ১৫ ডলারে দাঁড়ায়।

ওই দিন যুক্তরাষ্ট্রের তেলের বেঞ্চমার্ক ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের দামও ৪ দশমিক ৮ শতাংশ বা ব্যারেলপ্রতি ৪ দশমিক ৭৫ ডলার কমে ৭৮ দশমিক ৭৪ ডলারে দাঁড়ায়।

গত বুধবার (২১ সেপ্টেম্বর) এক লাফে সুদের হার ৭৫ বেসিস পয়েন্ট বাড়ানোর ঘোষণা দেয় যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক। এর সঙ্গে তাল মিলিয়ে সুদের হার বাড়িয়েছে বিশ্বের অন্যান্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোও। এতে আবারও মাথাচাড়া দিয়েছে অর্থনৈতিক মন্দার ঝুঁকি।

২০০২ সালের মে মাসের পর থেকে বেশ কয়েকটি প্রধান মুদ্রার বিপরীতে সর্বোচ্চ দরে পৌঁছেছে মার্কিন ডলার। ডলারের মান বাড়লে অন্যান্য মুদ্রা ব্যবহার করে ক্রেতাদের জন্য জ্বালানি কেনা আরও ব্যয়বহুল হয়ে ওঠে, যার ফলে চাহিদা কমে যায়।

সংবাটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খরব
© Copyright © 2017 - 2021 Times of Bangla, All Rights Reserved